চাঁদা আদায় থেকে হিসাব — সব এক জায়গায়, নিজে নিজে।
মাসিক বিল নিজে তৈরি হয়, SMS-এ পে-লিংক যায়, বিকাশ-নগদে টাকা এলে রসিদ নিজে চলে যায়। মাঠের কালেক্টরের জন্য অ্যাপ, দরজায় QR, আর আপনার সংগঠনের নিজস্ব ওয়েবসাইট ও অ্যাপ — সম্পূর্ণ বাংলায়।
- বাংলা ও ইংরেজি
- প্রতিটি সংগঠনের ডাটা আলাদা ও সুরক্ষিত
- টাকা সরাসরি আপনার অ্যাকাউন্টে
৬
ধরনের পেমেন্ট মাধ্যম
ক্যাশ, বিকাশ, নগদ, রকেট, ব্যাংক, কার্ড
১২+
হিসাব ও আদায় রিপোর্ট
ট্রায়াল ব্যালান্স থেকে বকেয়া এজিং
২
ভাষা
বাংলা ও ইংরেজি, সব স্ক্রিনে
০
ডাবল বিল
একই মাসে একই বিল দুবার হয় না
যেখানে নিয়মিত চাঁদা, সেখানেই সোসাইটি কিপার
এলাকা / সেক্টর কল্যাণ সমিতি
রোড ও বাড়িভিত্তিক মাসিক চাঁদা, নিরাপত্তা, ময়লা, রাস্তা রক্ষণাবেক্ষণ।
অ্যাপার্টমেন্ট মালিক সমিতি
ফ্ল্যাট প্রতি সার্ভিস চার্জ, জেনারেটর, লিফট, পানি ও কমন বিদ্যুৎ।
হাউজিং সোসাইটি
প্লট ও বাড়ির চার্জ, গেট পাস, ভিজিটর ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা।
ক্লাব
সদস্য ফি, ভর্তি ফি, ইভেন্ট, ডিজিটাল মেম্বার কার্ড ও সুবিধা বুকিং।
অ্যালামনাই ও পেশাজীবী সমিতি
বার্ষিক চাঁদা, অনুদান, ইভেন্ট নিবন্ধন ও সদস্য তালিকা।
মার্কেট / ব্যবসায়ী সমিতি
দোকান প্রতি মাসিক চার্জ, নোটিশ ও কমিটির হিসাব।
আগে কেমন ছিল, এখন কেমন হবে
একটি প্ল্যাটফর্ম, সব কাজ
বিল তৈরি থেকে AGM রিপোর্ট পর্যন্ত, প্রতিটি ধাপ স্বয়ংক্রিয় ও স্বচ্ছ।
অটো মাসিক বিল
চার্জের ধরন ও রেট একবার সেট করুন, প্রতি মাসে বিল নিজে তৈরি হবে। রেট বদলালেও পুরনো বিল ঠিক থাকে, ডাবল বিল অসম্ভব।
SMS-এ এক-ক্লিক পে-লিংক
অ্যাপ ছাড়াই বাসিন্দা লিংকে ক্লিক করে বিকাশ, নগদ বা কার্ডে পরিশোধ করতে পারেন।
অটো রসিদ ও হিসাব মিলানো
অনলাইনে টাকা এলেই সঠিক বিলে বসে যায়, ক্রমিক রসিদ তৈরি হয়, SMS চলে যায়।
কালেক্টর অ্যাপ
নিজের এলাকার বাড়ির তালিকা, দরজার QR স্ক্যান, আদায়, ব্লুটুথ প্রিন্টারে রসিদ, নেট না থাকলেও কাজ।
কালেক্টরের টাকা জমার হিসাব
দিন শেষে কালেক্টর টাকা জমা দেন, অফিস যাচাই করে, কম-বেশি থাকলে লেখা থাকে।
বকেয়া, লেট ফি ও রিমাইন্ডার
বকেয়ার বয়স অনুযায়ী তালিকা, নিয়ম অনুযায়ী লেট ফি, নির্দিষ্ট দিনে অটো রিমাইন্ডার।
খরচ ও অনুমোদন
ভাউচার, ভেন্ডর, সংযুক্তি; একজন খরচ লেখেন, কমিটির অন্যজন অনুমোদন দেন।
রিপোর্ট ও AGM
দৈনিক আদায়, রোড ও কালেক্টরভিত্তিক রিপোর্ট, আয়-ব্যয় ও বার্ষিক হিসাব।
নোটিশ, SMS ও পুশ
জরুরি ঘোষণা, মিটিং ও নোটিশ সবার কাছে এক ক্লিকে, বাংলায়।
বিল থেকে ব্যালান্স শিট — সব নিজে নিজে জোড়া
একবার সেটআপ করলে প্রতি মাসে এই চক্রটা চলতে থাকে। আপনাকে শুধু টাকা গ্রহণের এন্ট্রিটা দিতে হয়।
-
১
অটো বিল
নির্দিষ্ট তারিখে প্রতিটি বাড়ি, ফ্ল্যাট বা সদস্যের মাসিক বিল নিজে থেকেই তৈরি হয়।
-
২
রিমাইন্ডার SMS
বকেয়া থাকা সদস্যদের মোবাইলে মাসিক রিমাইন্ডার চলে যায়।
-
৩
টাকা গ্রহণ
ক্যাশ, বিকাশ, নগদ, রকেট বা ব্যাংক — কালেক্টর বা অফিস এক ক্লিকে এন্ট্রি দেন।
-
৪
QR রসিদ + SMS
নম্বরযুক্ত রসিদ তৈরি হয়, QR স্ক্যান করে যে কেউ যাচাই করতে পারেন; সদস্য পান SMS।
-
৫
হিসাবে পোস্টিং
আদায় ডাবল-এন্ট্রি হিসাবে যোগ হয়; ক্যাশ বুক, লেজার আর সদস্যের বকেয়া হালনাগাদ।
-
৬
রিপোর্ট
দৈনিক আদায়, বকেয়া এজিং, আয়-ব্যয় আর ব্যালান্স শিট — কমিটি যখন খুশি দেখে।
একটি স্ক্যানেই সব কাজ
প্রতিটি QR-এ শুধু একটি গোপন টোকেন থাকে, কোনো ব্যক্তিগত তথ্য নয়।
দরজার QR প্লেট
কালেক্টর স্ক্যান করলেই সেই ফ্ল্যাটের বকেয়া খুলে যায়।
ডিজিটাল মেম্বার কার্ড
ক্লাবে প্রবেশ, ইভেন্ট চেক-ইন ও পরিচয় যাচাই।
রসিদ যাচাই
প্রতিটি রসিদের QR স্ক্যান করে আসল কিনা দেখা যায়, জাল রসিদ ধরা পড়ে।
ভিজিটর ও ইভেন্ট পাস
সময়সীমাসহ পাস, গেটে চেক-ইন আর বাসিন্দাকে নোটিফিকেশন।
যার যে কাজ, তার সেই স্ক্রিন
রোল আর পারমিশন দিয়ে ঠিক করুন কে কী দেখবেন আর কে কী করতে পারবেন।
সভাপতি ও কমিটি
- ড্যাশবোর্ডে আদায় ও বকেয়া
- খরচ অনুমোদন (মেকার-চেকার)
- আয়-ব্যয় ও ব্যালান্স শিট
কোষাধ্যক্ষ ও হিসাবরক্ষক
- ভাউচার, সাপ্লায়ার বিল, জার্নাল
- ক্যাশ ও ব্যাংক বুক
- ট্রায়াল ব্যালান্স ও লেজার
কালেক্টর ও অফিস
- বকেয়া তালিকা রোড অনুযায়ী
- টাকা গ্রহণ ও রসিদ
- দিনের আদায়ের হিসাব
সদস্য ও বাসিন্দা
- মোবাইল OTP দিয়ে লগইন
- বকেয়া, পেমেন্ট ও রসিদ দেখা
- অভিযোগ দেওয়া ও অনুসরণ
প্রতিটি সংগঠনের নিজস্ব ওয়েবসাইট ও অ্যাপ
আলাদা করে কিছু বানাতে হবে না। অফিস প্যানেলে নোটিশ, কমিটি বা ইভেন্ট দিলেই ওয়েবসাইট ও অ্যাপে চলে যায়।
- নিজস্ব ওয়েবসাইট: সাবডোমেইন বা আপনার নিজের ডোমেইনে
- কমিটি, নোটিশ, ইভেন্ট, গ্যালারি, ডকুমেন্ট ও জরুরি নম্বর
- সদস্য অ্যাপ: বকেয়া দেখা, পরিশোধ, রসিদ, অভিযোগ
- প্রিমিয়ামে আপনার সংগঠনের নামে আলাদা অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ
চার ধাপে চালু
-
১
ফ্রি ডেমো
আপনার সংগঠনের কাজ বুঝে আমরা সিস্টেম দেখাই।
-
২
ডাটা তোলা
বাড়ি, ফ্ল্যাট, সদস্য ও পুরনো বকেয়া এক্সেল থেকে একবারে।
-
৩
অ্যাপ ও কালেক্টর
কালেক্টর ও সদস্যরা অ্যাপে যুক্ত হন, দরজায় QR লাগানো হয়।
-
৪
নিজে নিজে চলে
প্রতি মাসে বিল, রিমাইন্ডার, রসিদ আর রিপোর্ট স্বয়ংক্রিয়।
টাকার হিসাবে আপস নয়
টাকা সরাসরি আপনার অ্যাকাউন্টে
অনলাইন পেমেন্ট আপনার সংগঠনের নিজস্ব বিকাশ বা গেটওয়ে মার্চেন্টে যায়। আমরা কারো টাকা ধরে রাখি না।
কোনো লেনদেন মুছে ফেলা যায় না
ভুল হলে অনুমোদনসহ বাতিল হয়, রেকর্ড থেকে যায়। প্রতিটি কাজের অডিট লগ থাকে।
প্রতিটি সংগঠনের ডাটা আলাদা
এক সংগঠনের তথ্য অন্য কেউ দেখতে পারে না। কে কী দেখবে, রোল অনুযায়ী ঠিক করা।
প্রতিটি আদায়ে বাসিন্দাকে SMS
কালেক্টর টাকা নিলে বাসিন্দা সাথে সাথে জানেন, তাই গরমিলের সুযোগ নেই।
সমিতি চালানোর কাজের পরামর্শ
চাঁদা আদায়
বকেয়া চাঁদার রিমাইন্ডার SMS: ভদ্র অথচ কার্যকর বার্তার ১০টি নমুনা
কখন, কাকে, কোন ভাষায় বকেয়া চাঁদার রিমাইন্ডার SMS পাঠাবেন — সমিতির জন্য ধাপে ধাপে বার্তার নমুনা, সময়সূচি আর যেসব ভুল এড়িয়ে চলবেন।
হিসাব
ভাউচার লেখার নিয়ম: সমিতির প্রতিটি টাকার পেছনে একটি কাগজ
রসিদ, পেমেন্ট, কন্ট্রা আর জার্নাল ভাউচার কখন কোনটা লিখবেন, কী কী ঘর পূরণ করবেন আর কোন ভুলে অডিটে আটকে যান—সহজ ভাষায় ধাপে ধাপে।
সুশাসন
এজিএমের নোটিশ ও আলোচ্যসূচি: নমুনাসহ সঠিকভাবে লেখার পূর্ণ নির্দেশিকা
বার্ষিক সাধারণ সভার নোটিশে কী কী থাকতে হবে, আলোচ্যসূচি কোন ক্রমে সাজাবেন এবং সদস্যদের কাছে কীভাবে পৌঁছাবেন — নমুনা নোটিশ ও এসএমএসসহ।
সাধারণ জিজ্ঞাসা
আমাদের পুরনো খাতা বা এক্সেলের হিসাব কি আনা যাবে?
হ্যাঁ। বাড়ি, ফ্ল্যাট, সদস্য ও প্রত্যেকের পুরনো বকেয়া এক্সেল থেকে একবারে তোলা যায়। চালুর আগে মিলিয়ে দেখার রিপোর্টও দেওয়া হয়।
বাসিন্দাদের কি অ্যাপ ইনস্টল করতেই হবে?
না। SMS-এর পে-লিংকে ক্লিক করেই পরিশোধ করা যায়। যাঁরা চান, অ্যাপে আরও সুবিধা পাবেন।
অনলাইনের টাকা কার অ্যাকাউন্টে যায়?
সরাসরি আপনার সংগঠনের বিকাশ বা পেমেন্ট গেটওয়ে মার্চেন্ট অ্যাকাউন্টে। আমরা মাঝখানে টাকা রাখি না।
কালেক্টর যদি টাকা নিয়ে এন্ট্রি না করেন?
প্রতিটি আদায়ে বাসিন্দার মোবাইলে SMS যায়, আর দিন শেষে কালেক্টরকে সিস্টেমের হিসাব অনুযায়ী টাকা জমা দিতে হয়। কালেক্টর কোনো এন্ট্রি মুছতে পারেন না।
নেট না থাকলে কালেক্টর কী করবেন?
কালেক্টর অ্যাপ এন্ট্রি ফোনে জমা রাখে, নেট এলে নিজে পাঠায়। একই এন্ট্রি দুবার যায় না।
ক্লাবের জন্যও কি চলবে?
হ্যাঁ। ক্লাবে বিল হয় সদস্য অনুযায়ী (ক্যাটাগরিভিত্তিক ফি), সোসাইটিতে হয় ফ্ল্যাট বা বাড়ি অনুযায়ী। দুটো একসাথেও চালানো যায়।
১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে সমিতির হিসাব নিয়ে কাজ
সোসাইটি কিপার বানিয়েছে সফটওয়্যার বাজার বাংলাদেশ — ২০১৫ থেকে যারা সমিতি কিপার ইআরপি ও সমিতি কিপার লাইট দিয়ে সারা দেশের সমবায় সমিতি আর ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের হিসাব সহজ করছে।
- বেসিস (BASIS) সদস্য প্রতিষ্ঠান
- সমিতি কিপার ইআরপি ও লাইটের নির্মাতা
- উত্তরা, ঢাকায় নিজস্ব অফিস ও সাপোর্ট টিম
- বাংলায় ফোন ও হোয়াটসঅ্যাপ সাপোর্ট
১০+
বছরের অভিজ্ঞতা
৩,৫০০+
সরাসরি ক্লায়েন্ট
২৩
সফটওয়্যার প্রোডাক্ট
৩০+
সদস্যের টিম
আপনার সংগঠনের জন্য একটি ফ্রি ডেমো নিন
তথ্য দিন, আমরা আপনার সাথে যোগাযোগ করে সুবিধামতো সময়ে সিস্টেম দেখাবো।
- বাংলা ও ইংরেজি
- প্রতিটি সংগঠনের ডাটা আলাদা ও সুরক্ষিত
- টাকা সরাসরি আপনার অ্যাকাউন্টে